সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

একটা গাধার উদ্দেশ্যেঃ

একটা গাধার উদ্দেশ্যেঃ

শোন গাধা,

এই মুহূর্তে আমি অনেক রেগে আছি ।
রাগের অনেকগুলো কারন,

১. তুমি কখনও আমাকে "ভালবাসি" টাইপ কিছু বলনি। কারন, তুমি মনে কর এটা essential কিছুনা। তোমার মাথায় যদি একটুও ঘিলু থাকত তাহলে তুমি বুঝতে কারো ভালবাসা মানে তার মুখ থেকে সেটা সরাসরি শোনার মধ্যে কত পার্থক্য! 
বারবার না হোক, অন্ত্যত একবার তো বলতে পার!

২. তুমি একটা পাগল। কেন পাগল...কিভাবে... এসব ব্যাখ্যা করতে পারব না আমি এখন।

৩. তুমি অনেক জটিল একটা মানুষ। “অসাধারণ” অর্থে জটিল বলিনি।
জটিল মানে complicated. আমি এতদিন মনে করতাম মেয়েদের বোঝা অনেক কঠিন। এখন দেখতে পাচ্ছি তুমি মেয়েদের চেয়েও বেশি জটিল!
৪. আমার রেগে থাকার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে, তুমি আমার সামনে অন্য মেয়েদের সুন্দর বল!! গতকালও বলেছ!!

তুমি জাননা অন্য মেয়েদের সুন্দর বললে আমি বিরক্ত হই?
থাক, তোমার কিচ্ছু বোঝা লাগবেনা। কি? আমি হিংসুটে?
হ্যাঁ, আমি তো হিংসুটেই। আর তুমি হচ্ছ একটা...
থাক আর বললাম না!

তুমি তো এখন আবার মনে করবে আমার মন খারাপ!
নাহ, আমার মন একটুও খারাপ না ।
আমি একদম বিরক্ত না ।
আর তোমাকে ভালোও বাসি না। এক ফোঁটাও না।

ইতি,
তোমার...
“কেউ না”।

(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অসম্ভব সুন্দর একটি মধুর প্রেমের গল্প। পড়ে দেখবেন।

"ছেড়ে যাবি নাতো" ক্লাস থেকে বের হয়ে একটু চিন্তায় পরলাম। পকেটে মাত্র একশ টাকা। সম্বল বলতে এটুকুই। কাল নীরার জন্মদিন। তিন বছর ধরে একসাথে আছি। মেয়েটাকে কখনোই কিছু দেয়া হয়নি। পৃথীবিতে কিছু কিছু মেয়ে আছে যারা অল্পতেই খুশী। নীরাও তাই। ও এমন একটা মেয়ে যার কাছে কিছুই লুকানো যায়না। আর তাই তিন বছরের মধ্যে ওর সামনে কখনো মন খারাপ করতে পারিনি। এমনিতেই ও অনেক  বেশি কেয়ারিং। নীরার সাথে আমার পরিচয় ফার্মগেটে। ইউ-সি-সি তে কোচিং করার সুবাদে। ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে প্রথমেই নিজেকে গুছিয়ে নিতে কিছু সময় লাগে। জীবনের বড় একটা অংশ মেয়েদের কাছ থেকে দূরে থাকার ফলে মেয়েদের প্রতি তীব্র কৌতূহল ছিল। যদিও ছেলে হিসেবে আমি বেশ লাজুক প্রকৃতির। একবার কোচিং এর সামনে বসে ফুচকা খাওয়ার পর টাকা দিতে গেলে খেয়াল করলাম পকেটে মানিব্যাগ নেই। এক প্রকার অস্বস্তির মধ্যে পড়লাম। ছোটবেলা থেকেই আত্মসম্মান বোধটা আমার প্রচন্ড। ফুচকাওয়ালাকে বললাম 'মামা, মানিব্যাগ ফেলে এসেছি। আমার কাছে টাকা নাই। এই ঘড়িটা রাখুন।' দোকানী বিজয়ীর হাসি দিল। স্টিভ জবস আইপড আবিস্কার করে যেমন হাসি দিয়েছিলেন অনেকটা সেরকম। ...
মেয়েঃ আমি যদি পড়ে যাই তুমি কি আমাকে তুলবে ?? ছেলেঃ না!! মেয়েঃ আমি যখন দুঃখ পাব তুমি কি আমার কান্না মুছিয়ে দেবে?? ছেলেঃ নাহ!! মেয়েঃ আমাকে দেখতে যদি কখনো খারাপ লাগে তখনোকি আমাকে ভালবাসবে?? ছেলেঃ না!! মেয়েঃ যাই হোক!! কমপক্ষে সত্য বলার সৎ সাহস তোমার আছে!! এজন্য তোমাকে ধন্যবাদ!! ছেলেটি তখন মেয়েটিকে কাছে টেনে নিয়ে বললঃ আমি তোমাকে পড়ার পর তুলবো না!! কারন, আমি তোমাকে পড়ার আগেই ধরে ফেলব!! আমি তোমার দুঃখের কান্না মুছে দিবো না!! কারন, আমি তোমার কাছে কোন দুঃখকে আসতে দেবো না!! ♥♥ যখন তোমাকে দেখতে খারাপ লাগে তোমাকে সে সময় ভালবাসব না!! কারন ওই সময় আমার কখনোই আসবে না,তুমি সব সময় আমার কাছে সুন্দর!! ♥♥♥ আমি তোমাকে অন্য সব কিছুর চেয়ে ভালোবাসি!! সবসময় এবং সর্বদা!! হয়ত কথাগুলো মুখের কথা কিন্তু আসলেই যদি কেউ কাউকে ঠিক এভাবে ভালবাসতে পারে সেটা হবে অসাধারণ।।।।

Breakup √বহুদিনের পুরানো রিলেশন কিভাবে ব্রেকআপ করতে হয়???

প্রথমত... আজাইড়া ক্যাচাল করেন। কেন রাইতের বেলায় লুঙ্গি পইরা ঘুমায়, কেন বই নিয়া পড়তে বসে, কেন বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যায়, কেন হাসার সময় দাত দেখা যায়, কেন চোক্ষে পলক ফেলে, কেন ঘুমান...