সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Breakup √বহুদিনের পুরানো রিলেশন কিভাবে ব্রেকআপ করতে হয়???

প্রথমত... আজাইড়া ক্যাচাল করেন। কেন রাইতের বেলায় লুঙ্গি পইরা ঘুমায়, কেন বই নিয়া পড়তে বসে, কেন বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যায়, কেন হাসার সময় দাত দেখা যায়, কেন চোক্ষে পলক ফেলে, কেন ঘুমানোর সময় হা কইরা থাকে, কেন কথাবললে মুখ দিয়া আওয়াজ বের হয়। এরপর লাগান ঝগড়া।দ্বিতীয়ত.... কিছু নিয়ম নীতি বেধে দেন। নাক দিয়া নিঃশ্বাস নিতে পারবে না, রাইতে শুধু দুই গ্লাস পানি খাইতে হবে, রাইতে মশাড়ি টানানো যাবে না, সকালে দাত ব্রাশ করা যাবে না, বাইরে গেলে প্যান্ট পরা যাবে না, আন্ডারওায়ার কালো কালারের হইতে হবে ইত্যাদি, একটু এদিক ঐদিক হইলেই ব্রেকাপ।তৃতীয়ত.... পোলার জীবন তামা তামা বানায়া দেন।রাত তিনটায় ফোন দেয় নাই কেন, ফোন রাখার আগে কিস করে নাই কেন, আই লাভ ইউ না বইলা বাংলায় ভালোবাসি বলছে কেন, ঘুরতে যায়া আপনার কোমরে হাত দেয় নাই কেন, একটু ইটিশ পিটিশ করে নাই কেন?? ব্যাস ঝগড়া লাগায়া ফোন অফ কইরা দেন।এই পোলার যদি মান সম্মান কিছু থাকে আপনার সাথে রিলেশন রাখবে না, আমি গ্যারান্টি। এরপরেও যদি না ভাঙে বাকি আরো চারটা টিপস তো আছেই। বেস্ট অফ লাক....বিঃদ্রঃ অপরিচিত এক আপু তার সাত বছরের রিলেশন ভেঙে নতুন রিলেশন করতে চান, টিপস চেয়েছেন। আমি ওয়াদা করছিলাম, আগের রিলেশন কিভাবে ব্রেক করতে হয় সেটা আগে শিখাব। আফা, এই স্ট্যাটাস শুধু আপনার জন্য.... তবে একটা কথা, আপনার সাত জনমের ভাগ্য এমন একটা ছেলেকেপ্রেমিক হিসেবে পাইছিলেন!!!!! যে বুঝার, সে বুঝে নিবে....নাজিরুল ইসলাম নাদিম

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অসম্ভব সুন্দর একটি মধুর প্রেমের গল্প। পড়ে দেখবেন।

"ছেড়ে যাবি নাতো" ক্লাস থেকে বের হয়ে একটু চিন্তায় পরলাম। পকেটে মাত্র একশ টাকা। সম্বল বলতে এটুকুই। কাল নীরার জন্মদিন। তিন বছর ধরে একসাথে আছি। মেয়েটাকে কখনোই কিছু দেয়া হয়নি। পৃথীবিতে কিছু কিছু মেয়ে আছে যারা অল্পতেই খুশী। নীরাও তাই। ও এমন একটা মেয়ে যার কাছে কিছুই লুকানো যায়না। আর তাই তিন বছরের মধ্যে ওর সামনে কখনো মন খারাপ করতে পারিনি। এমনিতেই ও অনেক  বেশি কেয়ারিং। নীরার সাথে আমার পরিচয় ফার্মগেটে। ইউ-সি-সি তে কোচিং করার সুবাদে। ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে প্রথমেই নিজেকে গুছিয়ে নিতে কিছু সময় লাগে। জীবনের বড় একটা অংশ মেয়েদের কাছ থেকে দূরে থাকার ফলে মেয়েদের প্রতি তীব্র কৌতূহল ছিল। যদিও ছেলে হিসেবে আমি বেশ লাজুক প্রকৃতির। একবার কোচিং এর সামনে বসে ফুচকা খাওয়ার পর টাকা দিতে গেলে খেয়াল করলাম পকেটে মানিব্যাগ নেই। এক প্রকার অস্বস্তির মধ্যে পড়লাম। ছোটবেলা থেকেই আত্মসম্মান বোধটা আমার প্রচন্ড। ফুচকাওয়ালাকে বললাম 'মামা, মানিব্যাগ ফেলে এসেছি। আমার কাছে টাকা নাই। এই ঘড়িটা রাখুন।' দোকানী বিজয়ীর হাসি দিল। স্টিভ জবস আইপড আবিস্কার করে যেমন হাসি দিয়েছিলেন অনেকটা সেরকম। ...
মেয়েঃ আমি যদি পড়ে যাই তুমি কি আমাকে তুলবে ?? ছেলেঃ না!! মেয়েঃ আমি যখন দুঃখ পাব তুমি কি আমার কান্না মুছিয়ে দেবে?? ছেলেঃ নাহ!! মেয়েঃ আমাকে দেখতে যদি কখনো খারাপ লাগে তখনোকি আমাকে ভালবাসবে?? ছেলেঃ না!! মেয়েঃ যাই হোক!! কমপক্ষে সত্য বলার সৎ সাহস তোমার আছে!! এজন্য তোমাকে ধন্যবাদ!! ছেলেটি তখন মেয়েটিকে কাছে টেনে নিয়ে বললঃ আমি তোমাকে পড়ার পর তুলবো না!! কারন, আমি তোমাকে পড়ার আগেই ধরে ফেলব!! আমি তোমার দুঃখের কান্না মুছে দিবো না!! কারন, আমি তোমার কাছে কোন দুঃখকে আসতে দেবো না!! ♥♥ যখন তোমাকে দেখতে খারাপ লাগে তোমাকে সে সময় ভালবাসব না!! কারন ওই সময় আমার কখনোই আসবে না,তুমি সব সময় আমার কাছে সুন্দর!! ♥♥♥ আমি তোমাকে অন্য সব কিছুর চেয়ে ভালোবাসি!! সবসময় এবং সর্বদা!! হয়ত কথাগুলো মুখের কথা কিন্তু আসলেই যদি কেউ কাউকে ঠিক এভাবে ভালবাসতে পারে সেটা হবে অসাধারণ।।।।