সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

গার্লফ্রেন্ডের

বিকেল বেলা লেকের পাড়ে বসে আছি একা , একটু দূরে দেখলাম একটা ছেলে খুব মন খারাপ করে বসে আছে, একটু পর পর মোবাইল বাজতেছে কিন্তু রিসিভ না করে বিরক্তি নিয়ে কেটে দিচ্ছে। আমি এগিয়ে গেলাম...

আমিঃআপনার কি কোনও সমস্যা হইছে?

ছেলেটা সামান্য বিরক্তি নিয়ে তাকালো...

ছেলেঃ না , তেমন কিছু হয় নাই।

আমিঃ চাইলে শেয়ার করতে পারেন, মন হালকা হয়ে যাবে।

ছেলেঃ গার্লফ্রেন্ডের সাথে রিলেশন ভেঙ্গে গেছে, ১ বছরের রিলেশন ছিল; মনটা খুব খারাপ...

এমন সময় আবার ছেলেটার ফোন বেজে উঠল, ফোন কেটে দিল বিরক্তি নিয়ে।

আমিঃ ফোন কে দিচ্ছে বারবার?

ছেলেঃ আম্মু একটু পরপর ফোন দিতেছে,সকালে বাসা থেকে বের হইছি এই জন্য ফোন দিয়ে খোজ নেওয়ার চেষ্টা করতেছে।কিন্তু আমার মেজাজ গরম তাই ফোন রিসিভ করতে ইচ্ছা হইতেছে না।

আমিঃ গার্লফ্রেন্ডের সাথে মাত্র এক বছরের রিলেশন ছিল তাতেই এত মন খারাপ কিন্তু আপনার আম্মু আপনাকে জন্ম দিয়েছে, ২০-২২ বছর ধরে আপনাকে ভালবাসে এখন বুঝেন আপনার আম্মুর কত খারাপ লাগতেছে আপনি ফোন রিসিভ না করাতে...

ছেলেটা অবাক হয়ে আমার কথা শুনতেছে...

আমিঃ গার্লফ্রেন্ডের নিচে প্রতিদিন কত টাকা খরচ হয় তারপরেও খুশী করা যায় না কিন্তু নিজের আম্মুকে একটা সুন্দর হাসি দিলেই আপনাকে ভালবেসে বুকে জড়িয়ে নেয়। এই ভালবাসার মধ্যে কোনও স্বার্থ নেই।

ছেলেঃ ধন্যবাদ ভাইয়া , আমি এতদিন বুঝতে পারিনাই, এখনই বাসায় যাচ্ছি।

ছেলেটা হেঁটে চলে যাচ্ছে ... আমি তাকিয়ে দেখলাম লেকের পাড়ে একটা ছোট পাখি উড়ে বেড়াচ্ছে, সেও হয়ত দিন শেষে মায়ের কাছে ফিরে যাবে ...দূরে যে টোকাই ছেলেটা বসে আছে সে ও ফিরে যাবে মায়ের কাছে ... নাড়ির টান ভোলা যায় না ... ফিরতেই হবে ... এ টান ফেরানোর ক্ষমতা আমাদের দেয়া হয়নি................................................

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অসম্ভব সুন্দর একটি মধুর প্রেমের গল্প। পড়ে দেখবেন।

"ছেড়ে যাবি নাতো" ক্লাস থেকে বের হয়ে একটু চিন্তায় পরলাম। পকেটে মাত্র একশ টাকা। সম্বল বলতে এটুকুই। কাল নীরার জন্মদিন। তিন বছর ধরে একসাথে আছি। মেয়েটাকে কখনোই কিছু দেয়া হয়নি। পৃথীবিতে কিছু কিছু মেয়ে আছে যারা অল্পতেই খুশী। নীরাও তাই। ও এমন একটা মেয়ে যার কাছে কিছুই লুকানো যায়না। আর তাই তিন বছরের মধ্যে ওর সামনে কখনো মন খারাপ করতে পারিনি। এমনিতেই ও অনেক  বেশি কেয়ারিং। নীরার সাথে আমার পরিচয় ফার্মগেটে। ইউ-সি-সি তে কোচিং করার সুবাদে। ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে প্রথমেই নিজেকে গুছিয়ে নিতে কিছু সময় লাগে। জীবনের বড় একটা অংশ মেয়েদের কাছ থেকে দূরে থাকার ফলে মেয়েদের প্রতি তীব্র কৌতূহল ছিল। যদিও ছেলে হিসেবে আমি বেশ লাজুক প্রকৃতির। একবার কোচিং এর সামনে বসে ফুচকা খাওয়ার পর টাকা দিতে গেলে খেয়াল করলাম পকেটে মানিব্যাগ নেই। এক প্রকার অস্বস্তির মধ্যে পড়লাম। ছোটবেলা থেকেই আত্মসম্মান বোধটা আমার প্রচন্ড। ফুচকাওয়ালাকে বললাম 'মামা, মানিব্যাগ ফেলে এসেছি। আমার কাছে টাকা নাই। এই ঘড়িটা রাখুন।' দোকানী বিজয়ীর হাসি দিল। স্টিভ জবস আইপড আবিস্কার করে যেমন হাসি দিয়েছিলেন অনেকটা সেরকম। ...
মেয়েঃ আমি যদি পড়ে যাই তুমি কি আমাকে তুলবে ?? ছেলেঃ না!! মেয়েঃ আমি যখন দুঃখ পাব তুমি কি আমার কান্না মুছিয়ে দেবে?? ছেলেঃ নাহ!! মেয়েঃ আমাকে দেখতে যদি কখনো খারাপ লাগে তখনোকি আমাকে ভালবাসবে?? ছেলেঃ না!! মেয়েঃ যাই হোক!! কমপক্ষে সত্য বলার সৎ সাহস তোমার আছে!! এজন্য তোমাকে ধন্যবাদ!! ছেলেটি তখন মেয়েটিকে কাছে টেনে নিয়ে বললঃ আমি তোমাকে পড়ার পর তুলবো না!! কারন, আমি তোমাকে পড়ার আগেই ধরে ফেলব!! আমি তোমার দুঃখের কান্না মুছে দিবো না!! কারন, আমি তোমার কাছে কোন দুঃখকে আসতে দেবো না!! ♥♥ যখন তোমাকে দেখতে খারাপ লাগে তোমাকে সে সময় ভালবাসব না!! কারন ওই সময় আমার কখনোই আসবে না,তুমি সব সময় আমার কাছে সুন্দর!! ♥♥♥ আমি তোমাকে অন্য সব কিছুর চেয়ে ভালোবাসি!! সবসময় এবং সর্বদা!! হয়ত কথাগুলো মুখের কথা কিন্তু আসলেই যদি কেউ কাউকে ঠিক এভাবে ভালবাসতে পারে সেটা হবে অসাধারণ।।।।

Breakup √বহুদিনের পুরানো রিলেশন কিভাবে ব্রেকআপ করতে হয়???

প্রথমত... আজাইড়া ক্যাচাল করেন। কেন রাইতের বেলায় লুঙ্গি পইরা ঘুমায়, কেন বই নিয়া পড়তে বসে, কেন বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যায়, কেন হাসার সময় দাত দেখা যায়, কেন চোক্ষে পলক ফেলে, কেন ঘুমান...