সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

প্রেমিক এবং প্রেমিকার মধ্যে কথা হচ্ছে -

ছেলে : **"বাদাম খাবে ?"

মেয়ে : "না, তুমি খাও।"

ছেলে :"আরে একটু খাওনা। আমি ছিলে দিচ্ছি, নাও একটু খাও।"

মেয়ে :"একটু সিরিয়াস হবে ? তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে।"

ছেলে :"সিরিয়াস কথা বলবে তো বল কিন্তু এই বাদাম কি দোষ কি করল ? এত গুল বাদাম কি আমি একা খাব নাকি? নাও খাও।"

মেয়ে :"রুদ্র বি সিরিয়াস, প্লিস। আমি কাল তোমাকে দেখেছি।"

ছেলে :"আমি তো রোজই তোমার এই সুন্দর মুখটা দেখি আমার স্বপ্নে। তোমার লম্বা কাল চুল। কাজল দেয়া চোখ, মুখে এক চিলতে হাসি। "

মেয়ে :"কাল তোমাকে আমি একজনের সাথে দেখেছি স্টেশনে। উনি কে ?"

ছেলে : "আরে এত সিরিয়াস হচ্ছ কেন ? উনি আমার এক আত্মীয়। কেন কিছু হয়ছে নাকি ?"

মেয়ে :"কেমন আত্মীয় ?"
ছেলে : "....................."

মেয়ে :"ওভাবে তাকিয়ে না থেকে আমার প্রশ্নের উত্তর দাও রুদ্র।"

ছেলে :"একটা জিনিস খেয়াল করেছ ? তুমি যখনি আমার উপর খুব রাগ হও তুমি আমাকে আমার নাম ধরে ডাক। ইশ! তোমাকে নিয়ে আমি কি করব বলত ? তুমি যদি এমন ভাবে আমার নাম ধরে রাগে মুখ লাল করে ডাক তাহলে তো আমি তোমার প্রেমে ফানাহয়ে যাব। তুমিএত cute কেন বলত ?"

মেয়ে :"তুমি আমার প্রশ্নের উত্তর দাওনি।"

ছেলে :"আচ্ছা আচ্ছা দিচ্ছি ম্যাডাম। জো হুকুম আপনার। উনি আমার পিতা মহাদয়।"

মেয়ে :"ওই লোকটা কি করে ?"

ছেলে :"লোকটা ? উনি মুদির দোকানে কাজ করে গ্রামে।"

মেয়ে :"এই জন্যই তো ওরকম ক্ষ্যাত। কি রকম ছেঁড়া একটা স্পঞ্জের স্যান্ডেল পরে ছিল। আর চুলে কেমন তেল দিয়ে রেখেছিল, দেখলেই ঘিন্না করে। কি রকম করে লুঙ্গির উপর পাঞ্জাবি পরে ছিল দেখলেই জোকার লাগে। হা হা হা হা।"

ছেলে :"তুমি জান তোমার হাসিটা কি সুন্দর ? তোমার এই হাসি দেখেই আমি তোমার প্রেমে পরেছিলাম। কিন্তু কি আশ্চর্য আজ তোমার হাসিটা খুব কুৎসিত লাগছে।"

মেয়ে :"রুদ্র! তুমি আর কথা বলনা। তোমার লজ্জা করে না এমন একটা গাঁইয়াকে বাবা বলে ডাকতে ? এতদিন তুমি আমার সাথে প্রতারণা করেছ। তুমি আমাকে তোমার বাবার সম্পর্কে কিছু বলনি কেন ?"

ছেলে :"হ্যাঁ আমি অনেক বড় প্রতারণা করে ফেলেছি আমার সৎ খেঁটে খাওয়া বাবার কথা না বলে যিনি আমাকে কষ্টকরে টাকা পাঠিয়েছেন টিউশনের...

**************************************

বন্ধু : "আরে দোস্ত এখানে একা বসে কি করিস ?"

রুদ্র -"কি আর করব। দেখছিস না বাদাম খাচ্ছি।"

বন্ধু :"এত গুল বাদাম একা খাচ্ছিস ? ওহ! আর thanks রে। কাল আমার ক্লাসটার জন্য আব্বাকে আনতে যেতে পারিনি। তুই যদি স্টেশন থেকে না আনতি তাহলে আব্বা যে কি করে কি করত কে জানে।"

রুদ্র - "আরে না কি যে বলিস। কেমন আছে চাচা ? আর ওরকম একজন মানুষের সাথে পরিচয় হতে পারাই তো ভাগ্যের ব্যাপার। চাচা যত কষ্ট করে তোকে বড় করেছে।"

বন্ধু :"হ্যাঁ সত্যি আব্বা অনেক কষ্ট করে বড় করেছেন আমাদের। তুইতো সব জানিস। তোর আব্বার খবর কি ? দেশে ফিরেছেন ?"

রুদ্র - "না, ৬ তারিখ ফিরবে। এখন আছে ব্যবসা নিয়ে। কত যে টাকা কামাবে কে জানে।"

বন্ধু :"চিন্তা করিস না দোস্ত। তিথি কই রে ? সব সময় তোদের দুইজনকে একসাথে দেখি।"

রুদ্র - "চিত্ত বিনে বিত্তে আশ এতেই তার পূর্ণ শ্বাস।"

বন্ধু :"মানে ?"

রুদ্র - "কিছু না। চল উঠি। অনেক দিন আব্দুল চাচার চা খাওয়া হয়না। আজ দুজনে মিলে খাব চল....।

(সংগৃহীত)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অসম্ভব সুন্দর একটি মধুর প্রেমের গল্প। পড়ে দেখবেন।

"ছেড়ে যাবি নাতো" ক্লাস থেকে বের হয়ে একটু চিন্তায় পরলাম। পকেটে মাত্র একশ টাকা। সম্বল বলতে এটুকুই। কাল নীরার জন্মদিন। তিন বছর ধরে একসাথে আছি। মেয়েটাকে কখনোই কিছু দেয়া হয়নি। পৃথীবিতে কিছু কিছু মেয়ে আছে যারা অল্পতেই খুশী। নীরাও তাই। ও এমন একটা মেয়ে যার কাছে কিছুই লুকানো যায়না। আর তাই তিন বছরের মধ্যে ওর সামনে কখনো মন খারাপ করতে পারিনি। এমনিতেই ও অনেক  বেশি কেয়ারিং। নীরার সাথে আমার পরিচয় ফার্মগেটে। ইউ-সি-সি তে কোচিং করার সুবাদে। ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে প্রথমেই নিজেকে গুছিয়ে নিতে কিছু সময় লাগে। জীবনের বড় একটা অংশ মেয়েদের কাছ থেকে দূরে থাকার ফলে মেয়েদের প্রতি তীব্র কৌতূহল ছিল। যদিও ছেলে হিসেবে আমি বেশ লাজুক প্রকৃতির। একবার কোচিং এর সামনে বসে ফুচকা খাওয়ার পর টাকা দিতে গেলে খেয়াল করলাম পকেটে মানিব্যাগ নেই। এক প্রকার অস্বস্তির মধ্যে পড়লাম। ছোটবেলা থেকেই আত্মসম্মান বোধটা আমার প্রচন্ড। ফুচকাওয়ালাকে বললাম 'মামা, মানিব্যাগ ফেলে এসেছি। আমার কাছে টাকা নাই। এই ঘড়িটা রাখুন।' দোকানী বিজয়ীর হাসি দিল। স্টিভ জবস আইপড আবিস্কার করে যেমন হাসি দিয়েছিলেন অনেকটা সেরকম। ...
মেয়েঃ আমি যদি পড়ে যাই তুমি কি আমাকে তুলবে ?? ছেলেঃ না!! মেয়েঃ আমি যখন দুঃখ পাব তুমি কি আমার কান্না মুছিয়ে দেবে?? ছেলেঃ নাহ!! মেয়েঃ আমাকে দেখতে যদি কখনো খারাপ লাগে তখনোকি আমাকে ভালবাসবে?? ছেলেঃ না!! মেয়েঃ যাই হোক!! কমপক্ষে সত্য বলার সৎ সাহস তোমার আছে!! এজন্য তোমাকে ধন্যবাদ!! ছেলেটি তখন মেয়েটিকে কাছে টেনে নিয়ে বললঃ আমি তোমাকে পড়ার পর তুলবো না!! কারন, আমি তোমাকে পড়ার আগেই ধরে ফেলব!! আমি তোমার দুঃখের কান্না মুছে দিবো না!! কারন, আমি তোমার কাছে কোন দুঃখকে আসতে দেবো না!! ♥♥ যখন তোমাকে দেখতে খারাপ লাগে তোমাকে সে সময় ভালবাসব না!! কারন ওই সময় আমার কখনোই আসবে না,তুমি সব সময় আমার কাছে সুন্দর!! ♥♥♥ আমি তোমাকে অন্য সব কিছুর চেয়ে ভালোবাসি!! সবসময় এবং সর্বদা!! হয়ত কথাগুলো মুখের কথা কিন্তু আসলেই যদি কেউ কাউকে ঠিক এভাবে ভালবাসতে পারে সেটা হবে অসাধারণ।।।।

Breakup √বহুদিনের পুরানো রিলেশন কিভাবে ব্রেকআপ করতে হয়???

প্রথমত... আজাইড়া ক্যাচাল করেন। কেন রাইতের বেলায় লুঙ্গি পইরা ঘুমায়, কেন বই নিয়া পড়তে বসে, কেন বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যায়, কেন হাসার সময় দাত দেখা যায়, কেন চোক্ষে পলক ফেলে, কেন ঘুমান...