সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ক্লাস থেকে বের হতেই বৃষ্টি ডাক দিল,

- ওই, তোর খাতাটা দে তো।
- কেন?
- আরে নোট করব।
- বাপরে কি পড়ালেখা!
- টিটকারী মারবী না। পড়ালেখা না করলে বিয়ে দিয়ে দিবে বলেছে।
- চিন্তা নাই। তোর পাত্রের অভাব হবে না।
- আহা, সবাই তো লাইন ধরেছে।
- আচ্ছা যা, আর কারো গলায় ঝুলতে না পারলেও এই হতভাগা থাকবে।
- থাপ্পড় খাবি? ভাগ
- এত সুন্দর অফার দিলাম শুনলি না। নে, তুই খাতাটাই নে।
- তোর অফার কে.জি দরে বিক্রি করিস। তাও কেউ নিবে কিনা সন্দেহ
- তোরে কইছে। এই দেখ, আমার বইয়ে কে যেন এই লেটার দিইছে
- দেখি তো
- নাম নেই।
- তাহলে তো লাভ লেটার। ব্যাপার-স্যাপার কেমন যেন লাগছে।
-আরে এখনো পড়িনি।
- দে তো ‍পড়ি
- কাউকে বলবি না।
- বলব না মানে! অবশ্যই বলব। দে

হাত থেকে বৃষ্টি চিঠিটা কেড়ে নিল।

প্রিয়,
একই ইয়ারে পড়ি। তাই তুই করেই বলছি। কিছু মনে করিস না।
অনেকদিন ধরে ভাবছিলাম চিঠিটা লিখব। কিন্তু কিভাবে লিখব বুঝতে পারছিলাম না। যাই হোক, কাল সারারাত ধরে লিখলাম। মনোযোগ দিয়ে পত্রটা পড়িস।
বলব না রাতের তারা,
বলব শুধু একটু দাঁড়া।
একটা কথা বলার আছে,
বলব শুধুই তোর কাছে।
রাতের সব জোৎসনা সাক্ষী,
তাই, তুই পুরাই পাগলি ছাগলি।

- এইটা কি হল?
- যা হল তাই। তুই হইলি ছাগলি। হাহাহাহা। যা এখন সবাইরে গিয়ে বল
- হাসি, তাই না? দাঁড়া তোরে দেখাচ্ছি মজা।

বৃষ্টি ধরার আগেই দৌড় লাগালাম। ধরতে পারলে পিঠ আর আজকে থাকবে না। সাথে মান-ইজ্জতও শেষ হবে। কারণ, পিঠে কিল খাওয়ার পর কান ধরতে হবে। তারপর ছেড়ে দিবে। তাই আপাতত নিরাপদ জায়গার খোঁজে দৌড় লাগালাম।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অসম্ভব সুন্দর একটি মধুর প্রেমের গল্প। পড়ে দেখবেন।

"ছেড়ে যাবি নাতো" ক্লাস থেকে বের হয়ে একটু চিন্তায় পরলাম। পকেটে মাত্র একশ টাকা। সম্বল বলতে এটুকুই। কাল নীরার জন্মদিন। তিন বছর ধরে একসাথে আছি। মেয়েটাকে কখনোই কিছু দেয়া হয়নি। পৃথীবিতে কিছু কিছু মেয়ে আছে যারা অল্পতেই খুশী। নীরাও তাই। ও এমন একটা মেয়ে যার কাছে কিছুই লুকানো যায়না। আর তাই তিন বছরের মধ্যে ওর সামনে কখনো মন খারাপ করতে পারিনি। এমনিতেই ও অনেক  বেশি কেয়ারিং। নীরার সাথে আমার পরিচয় ফার্মগেটে। ইউ-সি-সি তে কোচিং করার সুবাদে। ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে প্রথমেই নিজেকে গুছিয়ে নিতে কিছু সময় লাগে। জীবনের বড় একটা অংশ মেয়েদের কাছ থেকে দূরে থাকার ফলে মেয়েদের প্রতি তীব্র কৌতূহল ছিল। যদিও ছেলে হিসেবে আমি বেশ লাজুক প্রকৃতির। একবার কোচিং এর সামনে বসে ফুচকা খাওয়ার পর টাকা দিতে গেলে খেয়াল করলাম পকেটে মানিব্যাগ নেই। এক প্রকার অস্বস্তির মধ্যে পড়লাম। ছোটবেলা থেকেই আত্মসম্মান বোধটা আমার প্রচন্ড। ফুচকাওয়ালাকে বললাম 'মামা, মানিব্যাগ ফেলে এসেছি। আমার কাছে টাকা নাই। এই ঘড়িটা রাখুন।' দোকানী বিজয়ীর হাসি দিল। স্টিভ জবস আইপড আবিস্কার করে যেমন হাসি দিয়েছিলেন অনেকটা সেরকম। ...
মেয়েঃ আমি যদি পড়ে যাই তুমি কি আমাকে তুলবে ?? ছেলেঃ না!! মেয়েঃ আমি যখন দুঃখ পাব তুমি কি আমার কান্না মুছিয়ে দেবে?? ছেলেঃ নাহ!! মেয়েঃ আমাকে দেখতে যদি কখনো খারাপ লাগে তখনোকি আমাকে ভালবাসবে?? ছেলেঃ না!! মেয়েঃ যাই হোক!! কমপক্ষে সত্য বলার সৎ সাহস তোমার আছে!! এজন্য তোমাকে ধন্যবাদ!! ছেলেটি তখন মেয়েটিকে কাছে টেনে নিয়ে বললঃ আমি তোমাকে পড়ার পর তুলবো না!! কারন, আমি তোমাকে পড়ার আগেই ধরে ফেলব!! আমি তোমার দুঃখের কান্না মুছে দিবো না!! কারন, আমি তোমার কাছে কোন দুঃখকে আসতে দেবো না!! ♥♥ যখন তোমাকে দেখতে খারাপ লাগে তোমাকে সে সময় ভালবাসব না!! কারন ওই সময় আমার কখনোই আসবে না,তুমি সব সময় আমার কাছে সুন্দর!! ♥♥♥ আমি তোমাকে অন্য সব কিছুর চেয়ে ভালোবাসি!! সবসময় এবং সর্বদা!! হয়ত কথাগুলো মুখের কথা কিন্তু আসলেই যদি কেউ কাউকে ঠিক এভাবে ভালবাসতে পারে সেটা হবে অসাধারণ।।।।

Breakup √বহুদিনের পুরানো রিলেশন কিভাবে ব্রেকআপ করতে হয়???

প্রথমত... আজাইড়া ক্যাচাল করেন। কেন রাইতের বেলায় লুঙ্গি পইরা ঘুমায়, কেন বই নিয়া পড়তে বসে, কেন বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যায়, কেন হাসার সময় দাত দেখা যায়, কেন চোক্ষে পলক ফেলে, কেন ঘুমান...