সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
◆ ◆ ◆ ◆ ◆ ◆ ◆ ◆
ছেলেঃ হঠাৎ জরুরি তলব কেন সোনা? মেয়েঃ কারণ আছে।
কাল রাতে আব্বুকে তোমার
কথা বলেছি। আব্বু আজ সন্ধ্যায়
তোমাকে আমাদের বাসায় আসতে বলেছেন। ছেলেঃ হায়-হায়, করছো কি ?? মেয়েঃ কেন, কি হইছে? ছেলেঃ আমাকে না জানিয়েই . . . মেয়েঃ থামো তো! ২ বছর ধরেই
তো তোমাকে বলে যাচ্ছি। খালি আর কয়েকদিন
পরে, আর কয়েকদিন পরে! তোমার আশায়
থাকলে আমি বুড়ি হয়ে যাবো! তবু তোমার আর
কয়েকদিন শেষ হবেনা, বুচ্ছো ?? ছেলেঃ আমার জন্য না হয় বুড়িই হলে।
বুড়ি হয়ে গান গাইবে— পরাণের বান্ধবরে,
বুড়ি হইলাম তোর কারণে !! মেয়েটি হাতের পার্স দিয়ে ছেলেটির
পিঠে মারতে মারতে বললঃ ধ্যেৎ, সবসময়
ফাইজলামি ভাল্লাগেনা, বুচ্ছো ?? ছেলেঃ আচ্ছা যাও, আর ফাইজলামি করবোনা।
এই মুখে তালা দিলাম। মেয়েটি ছেলেটির দিকে একটা শপিং ব্যাগ
এগিয়ে দিতে-দিতে বললঃ এই যে ধরো,
এখানে একটা শার্ট আছে, এটা পরে যাবা।
তোমার যা চয়েজ, দেখা যাবে কিস মি, লাভ
মি এইসব লেখা কোন টি-শার্ট
পরে চলে যাবে !! ছেলেঃ কেন সোনা? আমার চয়েজ কি খুবই
খারাপ ?? মেয়েঃ আবার জিগায় !! ছেলেঃ তাহলে তোমাকে চয়েজ করলাম
কিভাবে, জান ?? মেয়েঃ জীবনে ঐ একটাই ভালো কিছু চয়েজ
করছিলা বুচ্ছো ?? ছেলেঃ তা অবশ্য ঠিক বলেছো। মেয়েঃ (মুখ ভেঙিয়ে) তা অবশ্য ঠিক বলেছো !!
আর শোন, একদম সিগারেট খেয়ে আমাদের
বাসায় ঢুকবানা। আমি ওসব সহ্য করলেও আমার
আব্বু কিন্তু ওসব একেবারেই পছন্দ করেনা। ছেলেঃ (মুখ ভেঙিয়ে) আর শোন, একদম সিগারেট
খেয়ে আমাদের বাসায় ঢুকবানা। আমি ওসব সহ্য
করলেও আমার আব্বু ওসব পছন্দ করেনা !! মেয়েঃ ফাজিল কোথাকার !! আল্লাহ, তুমি ওর
কপালে কেন একটা দরজাল
মেয়ে জুটিয়ে দিলানা !! ছেলেটা ফিক করে হেসে ফেলল, আর চাপা গলায়
বললঃ তুমি কি কম নাকি ?? কি বললা তুমি? আমি দরজাল? ঠিক আছে,
ভালো মেয়ে খুঁজে নাও, আমি চললাম। — এই
বলে মেয়েটি উঠে পড়তে চাইলো, ছেলেটি তার
হাত ধরে ফেলল। ছেলেঃ এই, রাগ করো কেন? তুমি জানোনা,
রাগলে তোমার চেহারাটা আমার
কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর বস্তু
বলে মনে হয়, তাই তো রাগাই। লাভ ইউ। মেয়েঃ (মুচকি হেসে) লাভ ইউ টু। আচ্ছা আচ্ছা,
অনেক রোমান্স হয়েছে, এবার চলো। ৭টার
মধ্যে কিন্তু বাসায় চলে আসবা . . . ◆ ◆ ◆ ◆ ◆ ◆ ◆ ◆ এটাই বোধহয় সত্যিকারের ভালোবাসা।
দুষ্টুমি আছে, কিন্তু নষ্টামি নেই . . ..

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অসম্ভব সুন্দর একটি মধুর প্রেমের গল্প। পড়ে দেখবেন।

"ছেড়ে যাবি নাতো" ক্লাস থেকে বের হয়ে একটু চিন্তায় পরলাম। পকেটে মাত্র একশ টাকা। সম্বল বলতে এটুকুই। কাল নীরার জন্মদিন। তিন বছর ধরে একসাথে আছি। মেয়েটাকে কখনোই কিছু দেয়া হয়নি। পৃথীবিতে কিছু কিছু মেয়ে আছে যারা অল্পতেই খুশী। নীরাও তাই। ও এমন একটা মেয়ে যার কাছে কিছুই লুকানো যায়না। আর তাই তিন বছরের মধ্যে ওর সামনে কখনো মন খারাপ করতে পারিনি। এমনিতেই ও অনেক  বেশি কেয়ারিং। নীরার সাথে আমার পরিচয় ফার্মগেটে। ইউ-সি-সি তে কোচিং করার সুবাদে। ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে প্রথমেই নিজেকে গুছিয়ে নিতে কিছু সময় লাগে। জীবনের বড় একটা অংশ মেয়েদের কাছ থেকে দূরে থাকার ফলে মেয়েদের প্রতি তীব্র কৌতূহল ছিল। যদিও ছেলে হিসেবে আমি বেশ লাজুক প্রকৃতির। একবার কোচিং এর সামনে বসে ফুচকা খাওয়ার পর টাকা দিতে গেলে খেয়াল করলাম পকেটে মানিব্যাগ নেই। এক প্রকার অস্বস্তির মধ্যে পড়লাম। ছোটবেলা থেকেই আত্মসম্মান বোধটা আমার প্রচন্ড। ফুচকাওয়ালাকে বললাম 'মামা, মানিব্যাগ ফেলে এসেছি। আমার কাছে টাকা নাই। এই ঘড়িটা রাখুন।' দোকানী বিজয়ীর হাসি দিল। স্টিভ জবস আইপড আবিস্কার করে যেমন হাসি দিয়েছিলেন অনেকটা সেরকম। ...
মেয়েঃ আমি যদি পড়ে যাই তুমি কি আমাকে তুলবে ?? ছেলেঃ না!! মেয়েঃ আমি যখন দুঃখ পাব তুমি কি আমার কান্না মুছিয়ে দেবে?? ছেলেঃ নাহ!! মেয়েঃ আমাকে দেখতে যদি কখনো খারাপ লাগে তখনোকি আমাকে ভালবাসবে?? ছেলেঃ না!! মেয়েঃ যাই হোক!! কমপক্ষে সত্য বলার সৎ সাহস তোমার আছে!! এজন্য তোমাকে ধন্যবাদ!! ছেলেটি তখন মেয়েটিকে কাছে টেনে নিয়ে বললঃ আমি তোমাকে পড়ার পর তুলবো না!! কারন, আমি তোমাকে পড়ার আগেই ধরে ফেলব!! আমি তোমার দুঃখের কান্না মুছে দিবো না!! কারন, আমি তোমার কাছে কোন দুঃখকে আসতে দেবো না!! ♥♥ যখন তোমাকে দেখতে খারাপ লাগে তোমাকে সে সময় ভালবাসব না!! কারন ওই সময় আমার কখনোই আসবে না,তুমি সব সময় আমার কাছে সুন্দর!! ♥♥♥ আমি তোমাকে অন্য সব কিছুর চেয়ে ভালোবাসি!! সবসময় এবং সর্বদা!! হয়ত কথাগুলো মুখের কথা কিন্তু আসলেই যদি কেউ কাউকে ঠিক এভাবে ভালবাসতে পারে সেটা হবে অসাধারণ।।।।

Breakup √বহুদিনের পুরানো রিলেশন কিভাবে ব্রেকআপ করতে হয়???

প্রথমত... আজাইড়া ক্যাচাল করেন। কেন রাইতের বেলায় লুঙ্গি পইরা ঘুমায়, কেন বই নিয়া পড়তে বসে, কেন বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যায়, কেন হাসার সময় দাত দেখা যায়, কেন চোক্ষে পলক ফেলে, কেন ঘুমান...