সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

2013 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
ফোনটা ভাইব্রেট করেই চলেছে । স্ক্রিনের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি । হাত কাঁপছে । এত দিন,এতবছর পর আবার সেই নাম্বার থেকে ফোন এসেছে বিশ্বাস হচ্ছে না । আজও নাম্বারটা দেখে হৃদস্পন্দন কয়েকগুণ বেড়ে যায় । মনের মাঝে প্রবল ঝড় বয়ে যায় । শেষপর্যন্ত রিসিভ করে ফেল্লাম । ওপাশ থেকে ভেসে এল সেই পরিচিত কন্ঠস্বর । এতবছর পরও একটুও বদলায়নি । সেই আগের মতই আছে .... :হ্যালো ........ .............................. কি  হল? কিছু বলছ না যে? :না আসলে পাঁচ বছর পর এই নাম্বার থেকে ফোন আশা করিনি । তাই বুঝতে পারছিনা যে কি বলব । :কয়েকদিন থেকেই তোমার কথা খুব মনে পড়ছিল । কিন্তু ফোন করার ঠিক সাহস পাচ্ছিলাম না । কাল থেকে তোমার কন্ঠ শোনার খুব ইচ্ছে করছিল । তাই আজ সাহস করে ফোনটা দিয়েই দিলাম । কেমন আছ তুমি ? :মানুষ বদলে যায় কিন্তু তাদের কন্ঠ বদলায়না । হুম আছি নিজের মত করে । নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত আছি । :জিঞ্জেস করবেনা আমি কেমন আছি ? :উহু,প্রয়োজন নেই । কিছু কিছু মানুষ আছে যারা সবসময় ভাল থাকে । তুমি হচ্ছ তাদের একজন । :(ওপাশে কিছুক্ষণ নীরবতা .......) আমার কথা মনে পড়েনি তোমার ? :হ্যা পড়েছে । অনেক ...
যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে শিক্ষকঃ আমি টেবিলটা ছুয়েছি, টেবিলটা মাটি ছুঁয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুঁয়েছি । এভাবে একটা যুক্তি দেখাও তো । (দুজন ছাত্র হাত তুলল) ১ম ছাত্রঃ যেমন ধরুন স্যার, আপনি মুরগি খেয়েছেন, মুরগি কেঁচো খেয়েছে, সুতরাং আপনি কেঁচো খেয়েছেন। ২য় ছাত্রঃ আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি।  2
হাইরে জীবন কষ্টের ছবি ছাতকে এক রশিতে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা!! ছাতক প্রতিনিধিঃছাতকে প্রেমিক যুগল এক রশিতে আত্মহত্যা করেছে। গতকাল রোববার ভোরে উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের টেটিয়ারচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এক রশিতে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যার ঘটনা  এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের পুত্র আব্দুল্লাহ (২৫) ও আফরুজ আলীর কন্যা কুলছুমা বেগম (১৯) তালতো ভাই-বোন। এ সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তাদের প্রেমের সম্পর্কটি উভয় পরিবার মেনে না নিয়ে প্রায় দু’সপ্তাহ আগে আব্দুল্লাহর সাথে কালিয়ারচর গ্রামের তার চাচাতো বোনের ও কুলছুমাকে ছাতক সদর ইউনিয়নের কাজিহাটা গ্রামে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ে হলেও কুলছুমা-আব্দুল্লাহ’র প্রেমে এতটুকু ভাটা পড়েনি। ১ রমজান কুলছুমাকে পিত্রালয়ে নিয়ে আসা হলে প্রেমিক-প্রেমিকার যোগাযোগ আগের মতই চলতে থাকে। উভয় পরিবারের সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করে কুলছুমা-আব্দুল্লাহ রচিত করে নতুন এক প্রেম কাহিনী। ঘটনার দিন সকালে ছাতক-জাউয়া সড়কের আজাদ মিয়ার পুকুর পাড়ের একটি রেন্টি গাছে এক রশিতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ...
তোমার উপর আমার কোন রাগ নেই,নেই কোন অভিমান। ভালোবাসা মানে শুধু কাছে পাওয়া নয়, নয় সারাজীবন একের অপর হয়ে থাকা, ভালোবাসা মানে ভালোবাসা মানুষটির ভালো চাওয়া। আর তাই তোমাকে হারিয়ে ও তোমার ভালই চেয়েছি। ভেবোনা তোমায় ভুলে গেছি, ভেবোনা আমায় স্বার্থপর। আমি তোমাকে ভালোবেসেছি, ভালোবাসি আর সারাজীবন ভালোবাসবো। তুমি আজো আমার হৃদয়ে আছো। তোমারসুখই আমার সুখ!!! সুখী হও এই কামনাই করি বিধাতার কাছে ।
যদি ভাল লাগে কষ্ট দিতে তো দেও তাতেই আমার সুখ....♥♥♥ আমার চোখের পানি দেখে যদি তোমার কলিজা ঠাণ্ডা হয় তো আমি সারা দিন কাঁদব...♥♥♥ তাও তুমি তোমার ঠোঁটে লেগে থাকা সেই মিষ্টি হাসিটা কে যেতে দিও না.....♥♥♥ ............................
কখনোই কাউকে খুব বেশি বিশ্বাস করবেন না।। খুব বেশি ভালোবাসবেন না।। প্রিয়জনের কাছ থেকে খুব বেশি আশা ও করবেন না।। কারণ আপনি যখন কাউকে খুব বেশি ভালোবাসবেন, বিশ্বাস করবেন, সে তখন আপনাকে এতোটাই কষ্ট দিবে যা আপনি সহ্য করতে পারবেন না।। ......................................................................
সারাদিন হয়তো তোমায় ভুলে থাকতে পারি, কিন্তু রাত যে কিছুতেই তোমায় ভুলতে দেয় না । সারা দিনের ব্যস্ততা শেষে যখন নিজেকে সময় দেই, তখনই তোমার কণ্ঠস্বর শুনতে পাই । বাতাসের মাঝে তোমার স্পর্শ পাই, মনে হয় আজো তুমি আমারই আছো । এখনও আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় তুমি আমায় ছেড়ে চলে গেছো, আর রেখে গেছো টুকরো টুকরো অনেক স্মৃতি । তুমি চলে গেছো সত্যি কিন্তু আমার মন থেকে যেতে পারোনি । তুমি আছো, থাকবে চিরকাল আমারই মাঝে, আমার ভালোবাসার ছায়া হয়ে । ..........................................

Facebook..

গুরু ফেসবুক বানাইলা কি দিয়া... দরজা জানালা কিছুই নাই কেমনে বের হব জানতে চাই ? গুরু ফেসবুক বানাইলা কি দিয়া !! গুরু ফেসবুক বানাইলা কি দিয়া চাপাবাজি ছাড়া কিছুই নাই কেমনে সত্যে জানতে পাই ? গুরু ফেসবুক বানাইলা কি দিয়া !! গুরু ফেসবুক বানাইলা কি দিয়া ছেলে কেমনে মেয়ে হয় ? জানতে বড় ইচ্ছে হয় !! গুরু ফেসবুক বানাইলা কি দিয়া ! হেই হেই হেই!
মানুষ সবসময় ভাবে যে জীবনের সবচেয়ে দুঃখজনক ব্যাপার হলো সেই মানুষটিকে হারিয়ে ফেলা যাকে সে সবার চেয়ে বেশি মূল্য দেয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সবচেয়ে দুঃখজনক ব্যাপার হলো অন্য কাউকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিতে গিয়ে নিজের কাছে নিজেকেই হারিয়ে ফেলা এবং ভুলে যাওয়া যে আপনি নিজে অসাধারন♥
এক গুচ্ছ গোলাপ হাতে ধরিয়া ছেলেটা বলল: ছেলে: আমি তোমাকে ভালোবাসি । মেয়েটির চোখে পানি দেখে একটুমুচকি হেসে ছেলেটা আবার বলল কই ফুল গুলো দেখি,আমি আসলে দুষ্টুমি করছিলাম । আমি তোমাকে ভালোবাসি না । মেয়েটি অবাক হয়ে বললকি বলছো এসব ? ছেলে : তোমাকে সারাজীবন ভালোবাসার কথা না বলে থাকতে পারব , কিন্তু তোমার চোখের পানি আমি সইতে পারব না বলে দিলাম। মেয়ে : আমি প্রতিদিন হাজার টা বার কাঁদতে চাই সুখে, তোমার মুখ থেকে ভালোবাসি কথাটা শুনে!
কোনো কিছুই পরিবর্তিত হয় নি। আগে যেমন যা যেখানে ছিলো এই মুহূর্তেও তাই আছে। তবু আমার কাছে মনে হচ্ছে এই নীল গ্রহে আমার কেউ নেই... ......................
ভালোবাসার গভীরতা আর নেই ভরের শিশির সম বড় বেশি ক্ষণস্থায়ী সে এখন ঝোড়ো হাওয়ার মত এই আসে এই চলে যায় ............ অন্ধ ভালোবাসাঃ উপমাটি হয়েছে উধাও ধীর লয়ে সেথায় বেঁধেছে বাসা হিংসা আর হীনতা সর্বনাশা...  ✔
" প্রতিক্ষায় " বৃষ্টি ভেজা রাতের বেলায় , একা বসে ভাবছি তোমায় .. আছো তুমি বহু দূরে , তাইতো তোমায় মনে পরে .. কত স্বপ্ন চোখের পাতায় , কত কথা মনের খাতায় .. যত দূরেই থাক তুমি ,, আছি তোমারি প্রতিক্ষায় ..................... ..✔
''খুজেছিলি আমাকে হাজারো ভীড়ের মাঝে তপ্ত রৌদ্দুরের নিঃস্বঙ্গতায় হারিয়ে ফেলেছি তোকে হাজারো রঙের ভীড়ে, ভেবেছিলাম তোকে নিয়ে লিখবো আরো কবিতা এলোমেলো শত শত কবিতা.........''
''যখন আঁধারেরা নামে, তোমার প্রতিক্ষার ওই জনাকীর্ণ নিস্তব্ধতায় তুমি মনে রেখো আমায় । আলোময় ওই বিশাল গোলকধাধায় হয়তো হারাবো কিন্তু তুমি মনে রেখো আমায় । যেদিন তোমার মনের চাতক পাখিটা মুক্ত হয়ে উড়বে, ওই সাদা মেঘেদের দলে- তুমি মনে রাখবে তো আমায়.....''
আজ তুমি আমার হাত টি তোমার নিজের সুখের কথা ভেবে ছেরে দিলে, একদিন বুঝবে যে কত টুকু ভালবেসে ছিলাম তোমায়, সেই দিন হয়ত বলবে যে কি হারিয়েছ তুমি। কিন্তু হতাশ হয়োনা আমি সেইদিন অপেক্ষায় থাকব তোমার । ঠিক সেভাবেই ভালবাসব যেভাবে তোমাকে পুর্বে ভালবেসেছিলাম ।
কেমন আছো ? নিচ্ছয় ভালো? আমিও চাই তুমি ভালো থেকো ।কারন আমি চাই আমার ভালোবাসার মানুষটি সুখে থাকুক_ কারন যে সুখ আমি দেওয়ার অধিকার হারিয়েছি সেই সুখ তোমার নতুন সঙ্গী তোমাকে দেবে। আর আমি চাই তুমি খুব সুখি হও__ তোমাকে না বলা আমার অপ্রকাশিত কথা গুলো আজ আমি প্রকাশ করলাম_ আমি জানি তুমি এই পেইজ এর নিয়মিত পাঠক তাই এইখানে লিখা_ সেইদিন গুলোর মতো এখনো আমি তোমাকে ভালোবাসি , তোমাকে নিয়ে সপ্ন দেখি, তোমাকে নিয়ে লিখি অনেক কবিতা, আর তোমাকে নিয়ে যে সপ্ন গুলো আমি দেখি তাই হলো আমার জীবন ছলার প্রেরনা_ আজো জানিনা কি এমন ভুল ছিলো আমার ভালোবাসায়_ যে কারনে আমার ভালোবাসার বাঁধন ছিন্ন করে তুমি আজ অন্যের আঙ্গিনায়_ একদিন তুমিতো বলেছিলে তুমি শুধু আমার ভালোবাসা চাও_ তাহলে কেনো তুমি আজ আমাকে একা রেখে শুন্য করে কাঁদিয়ে চলে গেলে? তুমি কি জানো আমার চোখে এখনো তোমাকে হারানোর অঝর শ্ব্রাবন? আজ কষ্টে ভরা আমার জীবন। আমি তোমারি পথ চেয়ে থাকি সারাক্ষন_ তবুও আমি চাই চিরসুখী হোক তোমারি জীবন___ ভালো থেকো সুখে থেকো সারাজীবন ইতি_- তোমারি সেই আমি ..........................................................................
◆ ◆ ◆ ◆ ◆ ◆ ◆ ◆ ছেলেঃ হঠাৎ জরুরি তলব কেন সোনা? মেয়েঃ কারণ আছে। কাল রাতে আব্বুকে তোমার কথা বলেছি। আব্বু আজ সন্ধ্যায় তোমাকে আমাদের বাসায় আসতে বলেছেন। ছেলেঃ হায়-হায়, করছো কি ?? মেয়েঃ কেন, কি হইছে? ছেলেঃ আমাকে না জানিয়েই . . . মেয়েঃ থামো তো! ২ বছর ধরেই তো তোমাকে বলে যাচ্ছি। খালি আর কয়েকদিন পরে, আর কয়েকদিন পরে! তোমার আশায় থাকলে আমি বুড়ি হয়ে যাবো! তবু তোমার আর কয়েকদিন শেষ হবেনা, বুচ্ছো ?? ছেলেঃ আমার জন্য না হয় বুড়িই হলে। বুড়ি হয়ে গান গাইবে— পরাণের বান্ধবরে, বুড়ি হইলাম তোর কারণে !! মেয়েটি হাতের পার্স দিয়ে ছেলেটির পিঠে মারতে মারতে বললঃ ধ্যেৎ, সবসময় ফাইজলামি ভাল্লাগেনা, বুচ্ছো ?? ছেলেঃ আচ্ছা যাও, আর ফাইজলামি করবোনা। এই মুখে তালা দিলাম। মেয়েটি ছেলেটির দিকে একটা শপিং ব্যাগ এগিয়ে দিতে-দিতে বললঃ এই যে ধরো, এখানে একটা শার্ট আছে, এটা পরে যাবা। তোমার যা চয়েজ, দেখা যাবে কিস মি, লাভ মি এইসব লেখা কোন টি-শার্ট পরে চলে যাবে !! ছেলেঃ কেন সোনা? আমার চয়েজ কি খুবই খারাপ ?? মেয়েঃ আবার জিগায় !! ছেলেঃ তাহলে তোমাকে চয়েজ করলাম কিভাবে, জান ?? মেয়েঃ জীবনে ঐ একটাই ভালো কিছু চয়েজ করছিলা ...

_প্রেমে পড়ার কিছু লক্ষণ ...

১.তুমি SOFT & SLOW SONG শুনবে। ২. তুমি তার নাম যেখানে দেখবে সেখানেই দাড়িয়ে পরবে। ৩.FRIEND রা তাকে নিয়ে খুচালে তুমি রাগবে না। ৪. তুমি রাস্তাতে উদাস হয়ে আস্তে আস্তে হাটবে। ৬.তোমার বৃষ্টিতে ভিজতে ভাললাগবে। ৭.তোমার প্রকৃতি দেখতে ভাললাগবে। ৮. তুমি বুঝতেই পারবে না যে,এই STATUS এর ৫ম পয়েন্টটা মিস হয়েছে। ৯. এবার মনে মনে হাসবে আর ভাববে ১০.এরপর ভাববেন তাহলে কি আমি সত্যিই প্রেমে পড়েছি : srabon.....
কেউ ভুলে যায়.!! কেউ চলে যায়.!! কেউ বদলে যায়.!! কেউ হারিয়ে যায়.!! কিন্তু আমি এমন নই.... আমি বারবার আসবো তোমার কাছে আর বলব বন্ধু আমি আজ ও ভূলিনি তোমায়!!! আর ভুলবো ও না ...!! .......................
তোমাকে ছাড়া আমি এখন ভালই আছি...আস্তে আস্তে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করছি তোমাকে...বলতে গেলে এখন তোমার কথা মনেই পরে না...তোমার জন্য এখন আর কষ্টও পাই না...শুধু কেন জানি মাঝে মাঝে কষ্ট হয়...আমার হৃদয়ের অকৃত্রিম ভালবাসা তুমি বুঝতে পারনি কখনো...
কিছু জিনিস খেয়াল করে দেখেছেন?? ○ ভালবাসার মানুষ যত খারাপই হোক আপনারকাছে সে সব সময়ই ভালো..... . ○ তার সাথে আপনার সম্পর্ক শেষহওয়ার পরও কেউ যদি তাকে নিয়ে খারাপ কোন মন্তব্য করে তখন আপনি খুব রেগে যান হয়তো কাউকে বুঝতেদেন না..... . ○ আপনার বিপরীত লিঙ্গের কারো সাথে কথাবলার সময় খুজে বের করার চেষ্টা করেন তার সাথে আপনার ভালবাসার মানুষটার কি কি মিল আছে..... . ○ হঠাৎ তার পছন্দের কোন জিনিসযদি আপনার সামনে পরে যায় আপনি চেষ্টা করলেও তারকথা মনে না করে থাকতে পার . ○ তার সাথে যে জায়গা গুলোতে আপনি বস ঐ জায়গা গুলোতে গেলে সব সময়সে জায়গাটাই বসার চেষ্টা করবেনযেখানে আপনার ভালবাসার মানুষবসতো..... . ○ তার কাছ থেকে পাওয়া যে কোন জিনিস এখনও আপনার কাছে আছে যাআপনার পড়ার বই গুলোর চেয়ে ভাল অবস্থায় আছে..... (যদি ফেরত না দিয়ে থাকেন আর ফেলে না দিলে) . ○ ঘুমাতে যাওয়ার আগে তাকে ভুলে হলেও একবার মনে করেন.....

এক গুচ্ছ গোলাপ

এক গুচ্ছ গোলাপ হাতে ধরিয়া ছেলেটা বলল: ছেলে: আমি তোমাকে ভালোবাসি । মেয়েটির চোখে পানি দেখে একটু মুচকি হেসে ছেলেটা আবার বলল কই ফুল গুলো দেখি, আমি আসলে দুষ্টুমি করছিলাম । আমি তোমাকে ভালোবাসি না । মেয়েটি অবাক হয়ে বলল কি বলছো এসব ? ... ছেলে : তোমাকে সারাজীবন ভালোবাসার কথা না বলে থাকতে পারব , কিন্তু তোমার চোখের পানি আমি সইতে পারব না বলে দিলাম। মেয়ে : আমি প্রতিদিন হাজারটা বার কাঁদতে চাই সুখে, তোমার মুখ anindita

আচ্ছা তুমি কি সেই

আচ্ছা তুমি কি সেই তুমি ? যাকে আমি ভালোবেসে ছিলাম , যাকে সবচেয়ে আপন মানুষটা ভেবেছিলাম , একটু একটু করে তোমাকে কাছে পাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম , তোমার ছবির দিকে তাকিয়ে নিজেকে বিশ্বাস করাতে কষ্ট হয় এই তোমাকে ভালোবেসে ছিলাম আমি ,, বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় এই তুমি সেই তুমি না ,, কারণ তুমি সময় আর নিজের প্রয়োজনে সবচেয়ে আপন মানুষটা কে ভুলে যেতে পার , মুছে দিতে পার হৃদয় থেকে পুরনো দিনের স্মৃতিগুলো কে , ধ্বংস করে দিতে পার কারো তিল তিল করে গড়া স্বপ্নগুলো কে ,, এলোমেলো করে দিতে পার কারো জীবনটা কে ,, তাইতো আজ শুধু বলবো তুমি কারো জীবন গড়ে দিতে না পার ,, তার জীবনটা কে এলোমেলো আর ধ্বংস করে দিও না ,,,,, কারণ সত্যিই তুমি বোঝনা স্বপ্নগুলো ভাঙ্গার কষ্ট কি ,,  ..............................................................................anindita.....................................................................................
♦ জন্মের ৯৫ দিন পর আমরা বুঝতে পারি মা কে ♦ অক্ষর শেখার ৯০ দিন পর বুঝতে পারি শব্দ কি ♦ ভালবাসার মানুষটা ছেড়ে যাবার ৩০ মিনিট পর আমরা বুঝতেপারি অশ্রু কি ♦ প্রিয় মানুষের মৃত্যুর ২০ দিন পর বুঝতে পারি জীবন থেমে থাকবে না, সে তার মতই চলবে ♦ বন্ধু ছেড়ে যাবার ৩ সপ্তাহ পর অনুভব করি নিঃসঙ্গতা কি ♦ সাড়ে ৩ হাত মাটির ঘর কবরে নামলে বুঝি জীবন কি !! →অভিজ্ঞতা হচ্ছে সেটাই যা আমাদের সাথে ঘটে গেছে  sssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssssss

মন বাড়িয়ে ছুঁই

(১) ভার্সিটিতে যখন সবে পা দিয়েছি --- সকালে ঘুম ভাঙতেই দেখি তূর্যর টেক্সট , ‘’সাড়ে সাতটার ট্রেনে আমাদের বগিতে চলে এসো’’ । তূর্য টেক্সট করেছে ! কি জানি , ঘুমভাঙ্গা চোখে হয়তো ভুলভাল দেখছি । চোখ ভালমত কচলে আরও দুবার পড়লাম ।নাহ্‌ ! ভুল দেখিনি ।তুর্যই ... । ছোট্ট একটা রিপ্লাই দিলাম , ঠিক আছে । খুব দ্রুত রেডি হয়ে সাতটার মধ্যেই পৌঁছে যাই স্টেশনে । তুর্য এখনো আসেনি । এত আগে ও আসেনা কখনো  ।আমি চলে আসি ।কারো জন্য অপেক্ষা ব্যাপারটা নাকি খুব বিরক্তিকর কিন্তু কেন জানি ওর জন্য অপেক্ষা করতে আমার একটুও খারাপ লাগেনা । ট্রেন ছাড়ার ঠিক দুমিনিট আগে ও এসে পৌঁছোয় । আমার সামনের সীটে বসতে বসতে বলে , কি খবর বানরি ? ওর চোখে তখন দুষ্টুমির হাসি । আমিও হেসে ফেলি । হুম , ভাল । আপনি ভাল তো ছাগল সাহেব ? আর ভাল...একটা বানরিকে সামনে বসিয়ে কতটুকুই বা ভাল থাকা যায়, বল ? ছাগল তো ... বানর আর মানুষের মাঝে পার্থক্য বুঝবেন কি করে ? বছর দুয়েকের সিনিয়র তুর্যর সাথে আমার সম্পর্কটা এমনই । সারাক্ষণ একজন আরেকজনের পেছনে লেগে থাকা , কারনে অকারনে খোঁচানো আর দুষ্ট মিষ্টি ঝগড়া । ও প্রায়ই আমাকে প্রশ্ন করে , তুমি এত্ত ঝগড়...
 আর কতক্ষণ লাগবে তোমার? আমি দাঁড়িয়ে আছি তো। বিছানায় শুয়ে ভাবছে আবির আসলে আর কতক্ষণ লাগবে। - কি হল? কই তুমি? - এইতো বের হলাম। বাস এ উঠবো। কতক্ষণ লাগে তা তো জানি না। তবে তারাতারি আসার চেষ্টা করব। আসলেই বের হয়েছে আবির। খুব প্রিয় এক জায়গা থেকে। ঘুম। সারাদিন বিছানার সাথে লেপটে থাকতে পারে। শরীরের অবস্থা দেখে বোঝার উপায় নেই এই ছেলে এত ঘুমায়। মারিয়া যে কয়েকটা দিন দেখা করেছে সবসময়ই দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছ ে। কোনদিন আগে এসে পৌঁছাতে পারেনি আবির। মারিয়া নিজেও বিছানায় শুয়ে কথাগুলো বলছে। ওর অনেক দিনের ইচ্ছা আবির অপেক্ষা করবে, আর মারিয়া বলবে, রাস্তায় অনেক জ্যাম। তাই দেরি হল। আজই হয়ত সেইদিন। আবির কোনমতে উঠে রেডি হয়ে নিল। আবিরের নিজেরও অনেক ইচ্ছা একদিন আগে যাওয়ার। কিন্তু কোনদিনই হয় না। এই ঘুম আর জ্যাম সব কিছুর জন্য দায়ি। প্রতিটা বার লেট আর প্রতিটা বার শাস্তি। ওহ, সে কি শাস্তি। ভাবাই যায় না। বাসের জন্য প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা শেষে অবশেষে বাস আসল। মনে মনে অনাগত শাস্তির কথা ভাবছে আবির। খুব ভাল করেই জানে আজকের প্রশ্নের উত্তর দিতেও ব্যর্থ হবে। আজ পর্যন্ত একটা দিনও উত্তর দিয়ে শ...

[♥] যখন

[♥] যখন একটি ছেলে আপনাকে সরি বলে কিছু না করা সত্ত্বেও [♥] [♥] যখন একটি ছেলে আপনার যত্ন নেয় এমন ভাবে যে এখনো সে তাকে ভালবাসে [♥] [♥] যখন একটি ছেলে শেষটা দিয়ে হলেও আপনার ফেরানোর চেষ্টা করে [♥] [♥] যখন একটি ছেলে আপনার কাছ থেকে শত কষ্ট পাওয়ার পর ও বলে " আমি তোমাকেই ভালবাসি " [♥] [♥] যখন একটি ছেলে কোন সমস্যা প্রকাশ করেনা আপনার কাছে [♥] [♥] যখন একটি ছেলে সর্বদাই আপনাকে খুশি করার নেশায় থাকে [♥] [♥] যখন একটি ছেলে অনেক কষ্টে থাকার পর ও আপনাকে না বলে আপান্র সুখের কথা চিন্তা করে [♥] [♥] যখন একটি ছেলে আপনাকে ত্যাগ করতে চায় আপনার খারাপ ব্যাবহার এর জন্যে কিন্তু সে পারেনা [♥] এমন ছেলদেরকে ছেড়ে কেউ চলে যাবেন না । আপনি হয়তো জীবনে এমন কাউকে পাবেন না ।

ক্লাস থেকে বের হতেই বৃষ্টি ডাক দিল,

- ওই, তোর খাতাটা দে তো। - কেন? - আরে নোট করব। - বাপরে কি পড়ালেখা! - টিটকারী মারবী না। পড়ালেখা না করলে বিয়ে দিয়ে দিবে বলেছে। - চিন্তা নাই। তোর পাত্রের অভাব হবে না। - আহা, সবাই তো লাইন ধরেছে। - আচ্ছা যা, আর কারো গলায় ঝুলতে না পারলেও এই হতভাগা থাকবে। - থাপ্পড় খাবি? ভাগ - এত সুন্দর অফার দিলাম শুনলি না। নে, তুই খাতাটাই নে। - তোর অফার কে.জি দরে বিক্রি করিস। তাও কেউ নিবে কিনা সন্দেহ - তোরে কইছে। এই দেখ, আমার বইয়ে কে যেন এই লেটার দিইছে - দেখি তো - নাম নেই। - তাহলে তো লাভ লেটার। ব্যাপার-স্যাপার কেমন যেন লাগছে। -আরে এখনো পড়িনি। - দে তো ‍পড়ি - কাউকে বলবি না। - বলব না মানে! অবশ্যই বলব। দে হাত থেকে বৃষ্টি চিঠিটা কেড়ে নিল। প্রিয়, একই ইয়ারে পড়ি। তাই তুই করেই বলছি। কিছু মনে করিস না। অনেকদিন ধরে ভাবছিলাম চিঠিটা লিখব। কিন্তু কিভাবে লিখব বুঝতে পারছিলাম না। যাই হোক, কাল সারারাত ধরে লিখলাম। মনোযোগ দিয়ে পত্রটা পড়িস। বলব না রাতের তারা, বলব শুধু একটু দাঁড়া। একটা কথা বলার আছে, বলব শুধুই তোর কাছে। রাতের সব জোৎসনা সাক্ষী, তাই, তুই পুরাই পাগলি ছাগলি। - এইটা কি হল? - যা হল তাই। তুই হইলি ছাগলি। হাহ...
আমার জীবনের প্রথম টিউশনি শুরু করেছিলাম এক বড়ভাই এর সোর্সে। মহসিন হল থেকে বাসাবো, সপ্তাহে ৩ দিন, ভার্সিটি এডমিসনের মেয়ে। আন্টি শুধু বলেছিল “মার, কাট তোমার ব্যাপার, আমি মেয়েকে ঢাবিতে পড়াতে চাই। সেদিন একটু কনফিউসড হয়ে গেসিলাম, টাকা কামাইতে যায়ে কি আমাকে এতটা পড়ানো শুরু করতেই নাস্তা চলে আসল। প্রথম দিনই ম্যাগি নুডুলস । এর পর চা এর সাথে বিস্কিট, পুরি, সিঙ্গারা, পিঠা সবই আসত। আমার ছোটবেলা থেকে ই চেটেপুটে খাওয়ার অভ্যাস। ভাবতাম ভদ্রতা করে রেখে দিলে হয়ত খাবার নষ্ট হবে। ছাত্রীকে প্রথম দিকে সাধতাম, খেতনা। তাই পরের দিকে নিজেই পুরোটা খেতাম । একদিন খেয়াল করলাম নাস্তার পরিমান বেড়ে গেছে । খেলাম পুরোটাই। এর পর থেকে যেভাবে পরিমাণ টা বাড়তে থাকল , তাকে আর নাস্তা বলা চলেনা। একে তো ৫০০০ টাকার টিউশনি, তার উপরে নাস্তার এমন বাহার। খুশিতে মাঝে মাঝে রিক্সাতে করে পড়া । তো একদিন ছাত্রীকে অঙ্ক করতে দিয়ে এক প্যাকেট টিপ বিস্কিট আর চা দিয়ে শুরু করেছি আমার নাস্তার পর্ব। আমি বিস্কিটে প্রথম বাইট দিয়েছি মাত্র, দেখে ছাত্রী ফিক করে হেসে দিল , দেখে তো আমার মুখ দিয়ে আর বিস্কিট ঢুকেনা। আমি তো ধরেই নিসি কিছু গর...

প্রেমিক এবং প্রেমিকার মধ্যে কথা হচ্ছে -

ছেলে : **"বাদাম খাবে ?" মেয়ে : "না, তুমি খাও।" ছেলে :"আরে একটু খাওনা। আমি ছিলে দিচ্ছি, নাও একটু খাও।" মেয়ে :"একটু সিরিয়াস হবে ? তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে।" ছেলে :"সিরিয়াস কথা বলবে তো বল কিন্তু এই বাদাম কি দোষ কি করল ? এত গুল বাদাম কি আমি একা খাব নাকি? নাও খাও।" মেয়ে :"রুদ্র বি সিরিয়াস, প্লিস। আমি কাল তোমাকে দেখেছি।" ছেলে :"আমি তো রোজই তোমার এই সুন্দর মুখটা দেখি আমার স্বপ্নে। তোমার লম্বা কাল চুল। কাজল দেয়া চোখ, মুখে এক চিলতে হাসি। " মেয়ে :"কাল তোমাকে আমি একজনের সাথে দেখেছি স্টেশনে। উনি কে ?" ছেলে : "আরে এত সিরিয়াস হচ্ছ কেন ? উনি আমার এক আত্মীয়। কেন কিছু হয়ছে নাকি ?" মেয়ে :"কেমন আত্মীয় ?" ছেলে : "....................." মেয়ে :"ওভাবে তাকিয়ে না থেকে আমার প্রশ্নের উত্তর দাও রুদ্র।" ছেলে :"একটা জিনিস খেয়াল করেছ ? তুমি যখনি আমার উপর খুব রাগ হও তুমি আমাকে আমার নাম ধরে ডাক। ইশ! তোমাকে নিয়ে আমি কি করব বলত ? তুমি যদি এমন ভাবে আমার নাম ধরে রাগে মুখ লাল কর...

একদিন আমার gf আমার আব্বু কে কল করে...আর ওই এক ফোনেই আমার আব্বু কে বস্ করে ফেলে...

আমার আব্বু & আমার gf এর কথোপকথন=> আমার gf : হ্যালো, ওই তামান্না তুই কই... আমি তোকে কল দিয়ে পাই না কেন....ফোন কি আলমারিতে রাখছ নাকি..(আব্বু k কোনো কথাই বলতে দিলো না..) আমার আব্বু: মা, তুমি কাকে চাচ্ছ ..মনে হয় ভুল নাম্বার ওকল করছ... আমার gf ঃঅহ সরি..আঙ্কেল.. আপনি আমাকে ঠিক আমার বাবার মত করে মা ডেকেছেন...আমার খুব ভালো  লাগলো... আমার আব্বু: আচ্ছা। তোমার নাম কি মা ?কোথা থেকে কল দিস মা ? আমার gf : জি আমার নাম অমুক। আমি অমুক জায়গায় থাকি। আপনি আমার বাবার মত কথা বলেন.. আপনার কথা শুনে আমার খুব ভালো লাগলো। আমি কি আপনাকে একবার আব্বু বলে ডাকতে পারি।(আমার আব্বু একাধারে শুনে গেলেন) আমার আব্বু: আমার কোনো মেয়ে নাই তুমি তোহ আমার মেয়ের মতোই। তুমি আমাকে আব্বু ডাকলে আমিও খুশি হব। (কাজ ৫০% শেষ) আমার gf : আব্বু। আমি আরেক আব্বু পেলাম ...এখন আমার দুই আব্বু.. কয়েকদিন পর......(আমার আব্বু ও আমার gf এর কথা চলছিল.. আব্বু কে একরকম হাত করা শেষ) আমার আব্বু : মা আমি চাই সারাজীবন তুমি আমার মেয়ে হয়ে থাকো। এবং আমার পাশে দেখতে চাই.. (আমার সাথে ওর বিয়ের ইঙ্গিত।) আমার gf: হে আব্বু,আমিও চাই আপনার মেয়ে হ...

Facebook

সিএনজি টাতে খুব চাপাচাপি করে বসলাম । তিন জনের সিটে চারজন । তার মাঝে আমি একাই ছেলে । সুন্দরী ললনাদের পাশে বসলে বরাবরই নিজেকে খুব অসহায় লাগে । আজকেও এর ব্যতিক্রম নয় । বরং আজ অসহায়ের মাত্রা একটু বেশিই হচ্ছে। ইচ্ছে করছে চলন্ত সিএনজি থেকেই লাফ মেরে পড়ে যাই । লজ্জায় লাল হয়ে যাওয়া আমার আবুল টাইপ মুখটা দেখে মেয়ে গুলো মিটিমিটি হেসেই যাচ্ছে । আমিও ওদের পাত্তা না দেওয়ার ভাব নিয়ে কানে এয়ারফোন গুজে বাইরের দ িকে তাকিয়ে রইলাম । তার আগে আড় চোখে মেয়ে তিনটাকে খুব নিঁখুত ভাবে দেখে নিলাম । আমার সাথে বসা মেয়েটাই মাশাল্লা সব থেকে বেশি সুন্দরী । প্রথম দেখাতেই চোখ বন্ধ করে যাদের প্রেম নিবেদন করা যায় সেও নিদ্বিধায় তাদের মাঝে একজন হতে পারে । মেয়েটি এখন আশেপাশের কোন কিছুর দিকে খেয়াল না করে এক মনে মোবাইল টিপে যাচ্ছে । বাটন টিপার স্টাইল দেখে অনুমান করলাম ফেবুতে হয়তো কারো সাথে চ্যাট করছে । আমিও ফেবু ইউজ করি এটা বুঝানোর জন্য মোবাইল টা হাতে নিয়ে আলোর বেগে ফেবুতে ঢুকলাম । আড় চোখে আবার দেখতে গিয়ে দেখলাম মেয়েটিও আমার কান্ড কারখানা আড় চোখে দেখছে । তবে এতো লুকোচুরির মাঝেও মেয়েটির চোখের কোনে মন খ...