যে মানুষটা তোমাকে প্রচন্ড পরিমাণে ভালোবাসে, সেই মানুষটাকে ইচ্ছা করে কখনো অবহেলা করো না ... হ্যাঁ, তুমি অবহেলা করলে সেকষ্ট পাবে ঠিকই ... কিন্তু কষ্ট পেয়েও সে তোমাকে ক্ষমা করে দিবে, তোমার কাছেই ফিরে আসবে ... তুমিই তার দুর্বলতা - এটা জেনে ইচ্ছাকরে তাকে কষ্ট দিও না !!"যত যা-ই করি, ও তো দিন শেষে আমার কাছেই আসবে"- এইটা চিন্তা করে কারো আবেগ নিয়ে নিষ্ঠুরেরমত খেলার অধিকার তোমার নেই ... কারো দুর্বলতাজেনে নিয়ে তাকে আঘাত করে মজা পাওয়ার অধিকার তোমার নেই !!কারণ যতটুকু সময় তুমি মানুষটাকে স্বেচ্ছায় অবহেলা করছো বা দূরে থাকছো আর কষ্ট দিচ্ছো, ঠিক ততটুকু সময়ই সে শিখছে এবং জানছেঃ কিভাবে তোমাকে ছাড়াই বেঁচে থাকা যায় !!একদিন সে শিখে ফেলবেই তোমাকে ছাড়া বাঁচার উপায় ... একদিন সে জেনে যাবেই তোমাকে ছাড়া বাঁচাটা অসম্ভব না ... সেদিন সে আর ফেরত আসবে না ... তোমার দেয়া টুকরো টুকরো কষ্ট একসাথে তুমি ফেরত পেয়ে যাবা সেদিন ... বুঝতে পারবা, কি ভয়ঙ্কর ভুলই না ভেবেছিলে তুমি এতদিন ... সেদিন অনেক দেরি হয়ে যাবে ... অনেক দেরি !!"
"ছেড়ে যাবি নাতো" ক্লাস থেকে বের হয়ে একটু চিন্তায় পরলাম। পকেটে মাত্র একশ টাকা। সম্বল বলতে এটুকুই। কাল নীরার জন্মদিন। তিন বছর ধরে একসাথে আছি। মেয়েটাকে কখনোই কিছু দেয়া হয়নি। পৃথীবিতে কিছু কিছু মেয়ে আছে যারা অল্পতেই খুশী। নীরাও তাই। ও এমন একটা মেয়ে যার কাছে কিছুই লুকানো যায়না। আর তাই তিন বছরের মধ্যে ওর সামনে কখনো মন খারাপ করতে পারিনি। এমনিতেই ও অনেক বেশি কেয়ারিং। নীরার সাথে আমার পরিচয় ফার্মগেটে। ইউ-সি-সি তে কোচিং করার সুবাদে। ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে প্রথমেই নিজেকে গুছিয়ে নিতে কিছু সময় লাগে। জীবনের বড় একটা অংশ মেয়েদের কাছ থেকে দূরে থাকার ফলে মেয়েদের প্রতি তীব্র কৌতূহল ছিল। যদিও ছেলে হিসেবে আমি বেশ লাজুক প্রকৃতির। একবার কোচিং এর সামনে বসে ফুচকা খাওয়ার পর টাকা দিতে গেলে খেয়াল করলাম পকেটে মানিব্যাগ নেই। এক প্রকার অস্বস্তির মধ্যে পড়লাম। ছোটবেলা থেকেই আত্মসম্মান বোধটা আমার প্রচন্ড। ফুচকাওয়ালাকে বললাম 'মামা, মানিব্যাগ ফেলে এসেছি। আমার কাছে টাকা নাই। এই ঘড়িটা রাখুন।' দোকানী বিজয়ীর হাসি দিল। স্টিভ জবস আইপড আবিস্কার করে যেমন হাসি দিয়েছিলেন অনেকটা সেরকম। ...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন